হোম ব্যক্তিত্ব এসএইচ সোহেল পুরুষত্ব যদি দোষী না হয়- তাহলে নরম মাংস কি দ্বায়ী?

পুরুষত্ব যদি দোষী না হয়- তাহলে নরম মাংস কি দ্বায়ী?

27

পুরুষত্ব যদি দোষী না হয়: – সবার উর্ধ্বে আমি পুরুষ। নরম মাংস আমার প্রিয় জিনিস , কথাটি বরাবরই স্বাভাবিক। তাছাড়া আমি, আমরা যারা অন্ডকোষের অধিকারী তাদেরকে মনে রাখা দরকার বীজ বপনের জন্যেই একটি উর্বর জমি প্রয়োজন যা থেকে ভালো ফসল আশা করা যায়।

পুরুষত্ব যদি দোষী না হয়

কথাটি হয়তো অনেকের কাছে খারাপ লাগতে পারে। খারাপ লাগাটা স্বাভাবিক। যত ভালো হোক তা সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হবে এটা কোনো কথা নেই। ধরেন ঘুম থেকে উঠে আপনার প্রিয় পোষা পাখিটিকে দেখতে যান। দেখে মনে তেমন শান্তি পাবেন যেমন ঘুম থেকে উঠে ঘরের ঘরোনীকে দেখে পাবেন। কিন্তু দুটি আলাদা প্রাণী। তারপরও আমরা জানা অজানা সম্পর্কে জড়িয়ে যায় নিজ ইচ্ছা বা অন্যের দ্বারা প্ররোচিত হয়ে। এসব সম্পর্কের মধ্যে কিছু সম্পর্ক স্থায়ীত্ব লাভ করে আবার কিছু অকালে ভেঙে যায়। যেগুলো ভেঙে যায় তা সামান্য ভুল বুঝাবুঝিতে বা নিজেদের বয়সের দোষে বা পরস্পরকে ছাড় না দেওয়ার থেকে ইত্যাদি ইত্যাদি। তবে বৈজ্ঞানিক থিওরি থেকে বলা হয় সেক্সুয়ালীর দিক থেকে একটু বেশি তা অন্যভাবে। তারা থাকে আবেগী, কোমল মনের অধিকারী , নির্ভরশীলতা প্রিয় , বিলাসীতা প্রিয় ইত্যাদি। আর এসুযোগ গুলো পুরুষরা কাজে লাগিয়ে মেয়েদেরকে ফাঁদে পেলে বা নিজের জীবন সঙ্গী করে নেয়। আর মেয়েরা রুপকে ফুটিয়ে তুলে পুরুষকে আকর্ষণ করে ফাঁদে পেলে বা জীবন সাথী করে নেয়। কিন্তু আমার কথা এখানে না। আমার কথা হচ্ছে, সংসার জীবনে অনেকেরই  সুখ জিনিসটি হারিয়ে যায় বছর ঘুরতে না ঘুরতে। বর্তমান মেয়েরা বিভিন্ন কৃত্তিমতা অনুসরণ করে যাকে রুপচর্চার আধিক্যে পড়ে। যা মোটেই ভালো না। ছেলেরাও তাদের কোনো অংশে কম না। তার জন্যেই মূলত সংসার-পতন হয়। কারণ কৃত্রিমতা  দিয়ে ভালোবাসা যায় না। আমরা জেনেটিক বিষয়টি সম্পর্কে  একটু আধটুকু জানি তারা অবশ্যই জেনেটিক ডিস অর্ডার সম্পর্কে একটু জানি। এ রোগটি বহনকারী ব্যক্তি অস্বাভাবিক সেক্সুয়াল ক্ষমতার অধিকারী। অর্থাৎ তারা অনেকের সাথে সেক্স করার প্রবনতা সৃষ্টিশক্তি থাকে। অর্থাৎ ঘরের বউ বা স্বামী রেখে বাহিরে চোখ দেয়। অর্থাৎ কুকুরের জেনেটিক শক্তির মতো। সেক্সুয়াল ডিসঅর্ডার সম্পর্কে  হুমায়ূন আহমেদ বিশদভাবে  লিখেছিলেন। গ্রামে একটি কথা আছে ,’মা দেখে মেয়ে বিয়ে করা উচিত।’ এটি আসলে শতকরা একশত ভাগ সত্যি।  হাদিসে একটি বাক্য আছে ,’ তোমরা লজ্জা স্থানের হেফাজত করো তাহলে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করবে।’ এর থেকে বুঝা যায় নিজের যৌবন শক্তির গুরুত্ব দিয়ে সঠিক সময়ে ব্যবহার করতে পারলে আদর্শ মানব হিসেবে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করা সম্ভব।

বর্তমান যুগ টেকনোলজির যুগ। এখানে উঠতি বয়সের ছেলে মেয়েদের চাহিদা পুরণ করতে যথেষ্ট ভুমিকা রাখছে। যেমন তাদের পড়াশোনা অগ্রগতি বাড়িয়ে দেয় তেমনি পর্নগ্রাফি তাদেরকে নিয়ে যাচ্ছে ধংসের দিকে। এর থেকে শুধু উঠতি বয়সী ছেলেমেয়েরা নয় প্রাপ্ত বয়সীরাও এর কুফল থেকে দূরে নয়। একটা গবেষণায় দেখা গেছে প্রায় ৩০% প্রাপ্ত বয়স্করা পর্ণোগ্রাফিতে আসক্ত। ১৩-১৯ বছর বয়সী ছেলেমেয়েরা বেশি আক্রান্ত হয় প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে। এগুলো দেখে বিভিন্নভাবে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। যার শেষ ধংস।

যে কথাটি বলতে চেয়েছি সেটি এখনো বলা হয়নি। পিঁপড়া যেমন মিষ্টির জন্য পাগল পুরুষরাও মেয়েদের জন্য পাগল। মিষ্টি যেমন উন্মুক্ত পাত্রে রাখলে পিঁপড়া আক্রান্ত করবে তেমনি যেকোনো পুরুষ ভোগ করতে চাইবে যদি নরম মাংসপেশি বিশিষ্ট প্রাণীটি একটু সুযোগ দেয়। এটা স্বাভাবিক। সেক্সুয়াল ডিসঅর্ডার হলে ভিন্ন কথা!

তাই বলা চাই, কৃষকের উচিত ভালো জমি আর জমির দরকার ভালো মানের বীজ। তাহলে ভালো ফসল আশা করা যায়। না হয় জাতি অসুস্থতায় ভুগবে।

কৃতজ্ঞতা: http://www.ziggasa.com

মো: সাখাওয়াত হোসাইন সোহেল

আরো পোস্ট দেখতে পারেন:

  1. প্রাথমিক শিক্ষক প্রস্তুতি
  2. ব্যাংক জব প্রস্তুতি
  3. বিসিএস প্রস্তুতি
  4. প্রতি মাসের সাধারণ জ্ঞান 
  5. চাকরির খবর
  6. যেকোনো শ্রেণির গণিত সাজেশান 

কপিরাইট পলিসি: আমাদের কিছু সংখ্যক পোস্টগুলো অনলাইনের প্লাটফর্ম থেকে সংগ্রহিত। এর মধ্যে আমাদের একটি সৎ উদ্দেশ্য আছে । তাহলো আমরা চাচ্ছি সব কিছু যে এক জায়গায় পাওয়া যায়। তাছাড়া এগুলোর মধ্যে কোনো কোন পোস্ট যদি কেউ নিজের সম্পত্তি মনে করেন তা অবশ্যই যথোপযুক্ত সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে । ধন্যবাদ।